মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমকর্তা এ দপ্তরের অফিস প্রধান ।এ অফিস  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের দুর্যোগ  ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধিনে জেলা ত্রান ওপুর্নবাসন কমকর্তা কার্যালয় সিরাজগঞ্জএর নিয়ন্ত্রনাধীন ।  এ দপ্তর হতে বাস্তবায়িত সকল কর্মসুচী সমুহ হলো গ্রামে কাজের বিনিময় খাদ্য অথবা টাকা (কাবিখা / কাবিটা) দিয়ে দরিদ্র,অসহায়, বেকার লোক দিয়ে  গ্রামীন মাটির রাস্তা নির্মান, পুনঃ নির্মান, সংস্কার, খাল খনন, পুনঃখনন, পুকুর খনন, পুনঃ খনন , মাঠ ভরাট, মেরামত ই্ত্যাদি প্রকল্পের কাজ  বাস্তবায়ন করা হয়। গ্রামীন অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষন (টিআর) প্রকল্পের আওতায় গ্রামীন মাটির রাস্তা দ্রুত মেরামত, রাস্তার প্যালাসা্ইডিং কাজ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন মেরামত যেমন রেজিষ্টেশনভূক্ত সামজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, পুনঃনির্মান, সংস্কার , স্যানিটেশন প্রকল্প, সমাজের দরিদ্র পরিবারের মধ্যে সোলার প্যানেল বিতরন, ইত্যাদি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় প্রতি অর্থ বছরে দু্ই  বার সমাজের দরিদ্র, অসহায়, কর্মক্ষম পরিবারের লোকদের বেকার সমস্যা সমাধান এর মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা আনার জন্য সেপ্টমবার হতে ৪০ দিন এবং মার্চ হতে ৪০ দিন করে প্রকল্প গ্রহন করা হয় এ্ই প্রকল্পের আওতায় প্রতি উপকারভো্গী দৈনিক ১৭৫ টাকা করে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তাদের মুজরী পান। এ্ই প্রকল্পের আওতায় গ্রামীন মাটির রাস্তা নির্মান, পুনঃনির্মান, সংস্কার,,খাল খনন, পুনঃখনন, পুকুর খনন,পুনঃখনন, মাঠ ভরাট ইত্যাদি কাজ বাস্তবায়ন করা হয়। গ্রামীন রাস্তায় ১২ মিটার দৈর্ঘ্য ছোট ছোট সেতু/কালভার্ট নিমার্ন করা হয়। ভিজিএফ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন সম্পাদায়ের ধমীয় অনুষ্ঠান ( যেমন - ঈদুর ফিতর, ঈদুল আজহা, দূর্ঘা পূজা, বড়দিন, মাঘিপূর্নিমা) যাতে সমাজের দরিদ্র, অসহায় পরিবার আনন্দের সহিত পালন করতে পারে সেজন্য দরিদ্র পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরন করা হয়। জি আর চাল/টাকা এ্ই প্রকল্পের আওতায় যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে তাৎক্ষনিক সাহায্যের জন্য চাল বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং কোন ব্যক্তি মারা গেলে প্রতি মৃত ব্যক্তির জন্য নগদ ২০,০০০.০০ টাকার চেক মৃত ব্যক্তি পরিবারে কে প্রদান করা হয় এবং আহত ব্যক্তি পরিবার কে ৫০০০.০০ টাকা প্রদান করা হয় । বিনামূল্যে ঢে্উটিন বিতরন প্রকল্পের আওতায় সমাজের দরিদ্র, অসহায়  যে সকল পরিবারের বাড়ির করার মত জমি আছে কিন্তু ঘর করার মত সার্মথ্য নেই সেই সমস্ত পরিবারের মাঝে ২ বান্ডিল ঢেউটিন এবং নগদ প্রতি বান্ডিল প্রতি ২০০০.০০ করে টাকা বিনামূল্যে বিতরন করা হয়।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

স্ব স্ব ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে আবেদন করে সেবা পেতে পারেন।

ক্রঃ নংসেবার নামসেবার ধরণকারা পাবেনকিভাবে পাবেনসরকারী ফিসসেবা প্রাপ্তির সময়সেবা পেতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হলে যোগাযোগ মন্তব্য
উপজেলা পর্যায়েজেলা পর্যায়ে
১।ভিজিএফ কর্মসুচীপ্রতিজন নির্বাচিত উপকার-ভোগী ১০-২০ কেজি চাউল/ গম/ খাদ্যশস্য পাবেন।১। দরিদ্র পঙ্গু প্রতিবন্ধী, অতিশয় বৃদ্ধ, বিধবা যারা অন্যকোন সরকারী সাহায্য পান না।                         ২। দুঃস্থ ও দরিদ্র জনসাধারণ/ দিন মজুর যাদের নিয়মিত আয় নেই এমন পরিবার (যার জমির পরিমান ১৫ শতাংশের নীচে)।                            ৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প ইত্যাদি কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবার।ইউনিয়ন ভিজিএফ কমিটির (ইউপি সদস্য/ চেয়ারম্যান) মাধ্যমে তালিকায় নিজের নাম অর্ন্তভুক্ত করে।নাইমন্ত্রনালয় হতে বরাদ্দ প্রদানের ১ মাস/ জেলা প্রমাসক মহোদয়ের কার্যালয় হতে বরাদ্দ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে/ সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে।

১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।        

৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।          

১। জেলা প্রশাসক।     

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
২।(খ)  জি  আর (খাদ্যশস্য)প্রতি পরিবারকে তাৎক্ষনিক সাহায্য হিসেবে ২০ কেজি চাল/গম১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়,খরা, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প ইত্যাদি কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবার।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

১। জেলা প্রশাসক।   

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
জেলা প্রশাসক মৃত ব্যক্তির পরিবার প্রতি বিশেষ বিবেচনায় ৫০০ কেজি চাউল বরাদ্দ প্রদান করবেন।১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়,খরা, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প, নেৌকা/ট্রলারডুবি, লঞ্চডুবি,বজ্রপাত.সড়ক দুর্ঘটনাসহ মনুষ্য সৃষ্ট যে কোন দুর্যোগে কোন ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে এবং মৃত ব্যক্তির পরিবার অস্বচ্ছল হলে।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।  
জেলা প্রশাসক এর থোক বরাদ্দ হতে ৩.০০ মেঃ টন খাদ্যশস্য বরাদ্দ প্রদান করবেন।বিভিন্ন সরকারী/বেসরকারী এতিমখানা/লিল্লাহ বোর্ডিং/শিশুসদন/অনাথ আশ্রম/মুসাফিরখানা/ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে (ইছালে ছোয়াব/ওরস মাহফিল / নামযজ্ঞ অনুষ্ঠান/ কঠিনচিবরদানসহ অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান) আগতদের আহার্য বাবদ।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।  
জিআর ক্যাশ (নগদ অর্থ) ।জেলা প্রশাসক মৃত ব্যক্তির পরিবার প্রতি ১০,০০০/- - ২০,০০০/-১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়,খরা, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প ইত্যাদি কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবার।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।

১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

১। জেলা প্রশাসক।   

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
খ) আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০০০/-৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
৪।ঢেউটিন বিতরণপরিবার প্রতি ২-৩ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়া হয়।১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়,খরা, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প ইত্যাদি কারণে ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র পরিবার।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৭ দিনের মধ্যে।

১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। 

২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

১। জেলা প্রশাসক।    

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
২। অনুর্ধ্ব ৩০০০/= টাকা মাসিক আয়ের পরিবারকে গৃহনির্মাণ সহায়তার জন্য।৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
এককালীন ২-৭ বান্ডিল ঢেউটিন বরাদ্দ দেয়া হয়।৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান যেমন-স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা/এতিমখানা/মসজিদ/মন্দির/গির্জা/পাঠাগার।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৭ দিনের মধ্যে।
৫।গৃহ বাবদ মঞ্জুরী টাকাজেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার প্রতি ১০,০০০/- বরাদ্দ প্রদান করতে পারবেন।১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প, জলোচ্ছাস ইত্যাদি কারণে সম্পুর্ন ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ীর ক্ষেত্রে।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।১। জেলা প্রশাসক।      ২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা। 
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
খ) আহত ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ৫০০০/-১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙ্গন, ভুমিকম্প, জলোচ্ছাস ইত্যাদি কারণে আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ ঘরবাড়ীর ক্ষেত্রে।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।

১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

১। জেলা প্রশাসক।     

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের চাহিদা মোতাবেক প্রতিষ্ঠান প্রতি সর্বোচ্চ ২০,০০০/= গৃহবাবদ বরাদ্দ প্রদান করা যাবে।৩। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিষ্ঠান যেমন-স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা/এতিমখানা/মসজিদ/মন্দির/গির্জা/পাঠাগার।ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবর “ডি” ফরম পুরন সহ আবেদন করকত হবে।নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।

১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

১। জেলা প্রশাসক।  

 
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
৬।শীতবস্ত্র বিতরণশীত মেৌসুমে শীতার্ত দুঃস্থ জনগণের মধ্যে বিতরন।শীতার্ত দুঃস্থ জনগণ।-নাইজেলা প্রশাসক বরাদ্দ প্রদানের ০৩ দিনের মধ্যে।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।১। জেলা প্রশাসক। 
২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
৭।গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) খাদ্যশস্য/নগদ অর্থগ্রামীন অবাঠামো রক্ষনাবেক্ষন প্রকল্পে কাজ করে ৯-১০ কেজি খাদ্যশস্য/২০০/= - ২২০/= পাবেন।গ্রামীন শ্রমজীবি মানুষইউনিয়ন গ্রাঃঅঃসঃ কমিটি (ইউপি সদস্য/ চেয়ারম্যান) মাধ্যমে তালিকায় নিজের নাম অর্ন্তভুক্ত করে।নাইপ্রকল্পের কাজ চলাকালীন সময়ে।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।১। জেলা প্রশাসক। 
২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
৮।গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ (টিআর) খাদ্যশস্য/নগদ অর্থগ্রামীন অবাঠামো রক্ষনাবেক্ষন প্রকল্পে দৈনিক ৭ ঘন্টা কাজ করে ৮-১০ কেজি খাদ্যশস্য/২০০/= - ২২০/= পাবেন।গ্রামীন শ্রমজীবি মানুষ/জনকল্যানমুলক প্রতিষ্ঠান যেমন- স্কুল/কলেজ/মাদ্রাসা/ মসজিদ/ মন্দির/ কবরস্থান /শশ্মান/ রেজিষ্ট্রেশনকৃত প্রতিষ্টান।ইউনিয়ন গ্রাঃঅঃরঃ কমিটি (ইউপি সদস্য/ চেয়ারম্যান) মাধ্যমে তালিকায় নিজের নাম অর্ন্তভুক্ত করে।নাইপ্রকল্পের কাজ চলাকালীন সময়ে।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।

১। জেলা প্রশাসক।

২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।

 
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
৯।অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসুচীদৈনিক ৭ ঘন্টা  কাজের বিনিময়ে ১৭৫/= টাকা পাবেন।অতিদরিদ্র মৌসুমী বেকার শ্রমিক প্রতি পরিবার হতে একজন কাজ পাবেন, যাদের মাসিক আয় ৪০০০/= টাকার নীচে।ইউনিয়ন অঃদঃকঃসঃ কঃ কমিটি (ইউপি সদস্য/ চেয়ারম্যান) মাধ্যমে তালিকায় নিজের নাম অর্ন্তভুক্ত করে।নাইবছরে ০৫ মাস। ১ম পর্যায়ে সেপ্টেম্বর – ডিসেম্বর। ২য় পর্যায়ে মার্চ – এপ্রিল মাস পর্যন্ত।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।১। জেলা প্রশাসক। 
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
১০।গ্রামীণ রাস্তায় ১২ মিটার পর্যন্ত ব্রীজ/কালভার্ট নির্মাণ।গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।এলাকার জণসাধারণ।উপজেলা কমিটি।নাইসরকার নির্ধারিত সময়।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।১। জেলা প্রশাসক। 
২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
১২।বন্যা প্রবণ এলাকায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ।বন্যার সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ও বছরে অন্যান্য সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস রুম হিসেবে ব্যবহৃত হবে।এলাকার জণসাধারণ।উপজেলা কমিটি।নাইসরকার নির্ধারিত সময়।১। উপজেলা নির্বাহী অফিসার।১। জেলা প্রশাসক। 
২। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা।২। জেলা ত্রাণ পুর্নবাসন কর্মকর্তা।
৩। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। 
   
     
    
    
     
    
    
    
    
    
    
     
    

ছবি নাম মোবাইল
মোঃ রফিকুল ইসলাম

১।গ্রামীন রাস্তায় ছোট ছোট ব্রিজ/ কালভার্ট( ১২মিটার পর্যন্ত) নির্মান।

২।বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান।

৩। সাইক্লোন সেল্টার কাম বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র নির্মান।

রাজধানী ঢাকা থেকে উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে আসতে হলেঃ 

বাসযোগে-

রাজধানীঢাকা হতে উত্তরবঙ্গের যে কোন বাসে সরাসরি বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু (যমুনাসেতু) হয়ে সিরাজগঞ্জ গোলচত্বরের দক্ষিণদিকে পাবনা রোড হয়ে উল্লাপাড়া বাজার বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। সময় লাগবে আনুমানিক তিন থেকে সাড়ে তিন ঘন্টা (যদি রাস্তায় কোন সমস্যা না থাকে)। এখান হতে আপনি রিক্সা, ভ্যান, অটোরিক্সা অথবা পায়ে হেটে পূর্ব দিকে উল্লাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে আসতে সময় লাগবে মাত্র পাঁচ মিনিট।

ট্রেনযোগে-

রাজধানীরকমলাপুর স্টেশন হতে সরাসরি আন্ত:নগর ট্রেনে উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন এ নামতে হবে। সময় লাগবে প্রায়  চার থেকে সাড়ে চার ঘন্টার মতো। উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে আপনি রিক্সা, ভ্যান অথবা অটোরিক্সা যোগে সরাসরি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে আসতে পারবেন। এতে সময় লাগবে প্রায় ১৭ থেকে ২০মিনিট।